দোয়ারাবাজারের সাবেক ইউ.এন.ও কামরুজ্জামান স্যারের আবেগঘন স্ট্যাটাস

কামরুজ্জামান স্যারের ফেইসবুক ওয়াল থেকে হুবহু দেওয়া হলো !

উপজেলা নির্বাহী অফিসার হিসেবে পদায়ন হয় দোয়ারাবাজার উপজেলায়, একজন মানুষের কথা জানলাম অধ্যক্ষ ইদ্রিস আলী বীরপ্রতীক।মুক্তিযোদ্ধাদের প্রতি শ্রদ্ধা পারিবারিক আবহে ছোটবেলা থেকেই।১৯৯৪-৯৫ সালে আছাদ নগর দূর্বার সংঘের সাধারণ সম্পাদক থাকাকালে একবার বিজয় দিবস এ বীর মুক্তিযোদ্ধাদের সংবর্ধনা দিলাম।আমরা অনেকেই সেদিন কাজ করেছিলাম।প্রিয় রশিদ কাকু(বীর মুক্তিযোদ্ধা) ছিলেন উৎসাহ দিয়েছেন, সিরাজ স্যার,বড়ভাইসাব,মোস্তফা, মাসুদ ভাই, বেনু, সহ অনেকেই।ময়নাল ভাই, তোফাজ্জল কাকুসহ আরো অনেকেই সেদিন আবাগাপ্লুত হয়েছিলেন (রাস্ট্রীয় ভাবে তখনও সংবর্ধনা চালু হয় নাই)। মুক্তিযুদ্ধের খেতাবধারী কারোপ্রতি শ্রদ্ধাতো এমনিই অনেক। পরিচিত হয়ে মনে হলো অসাধারণ মানুষ, ইঞ্জিনিয়ার সাহেব কে সাথে নিয়ে মাননীয় সংসদ সদস্য জনাব মুহিবুর রহমান মানিক মহোদয় এর উৎসাহে বাশতলা স্মৃতিসৌধের অনেক উন্নয়ন কাজ করলাম বীরপ্রতীক সাহেবের আন্তরিকতায়। সেই শুরু এরপর উনি উপজেলা পরিষদ এর চেয়ারম্যান হয়ে এলেন ২০১৪তে, একই অফিস, একসাথে কাজ একজন অধ্যক্ষ,একজন দেশপ্রেমিক, একজন ধার্মিক মানুষ অনেক গুনের সমন্বয়ে দীর্ঘ সময় আমরা একসাথে কাজ করলাম। আমার পরিবারের সদস্যগন, ওনার পরিবারের সদস্যদের সাথেও ভালো সম্পর্ক আমাদের। আজ বংগবন্ধু শেখ মুজিব মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয়ের সিসিইউ তে দেখতে গিয়েছিলাম প্রিয় ইদ্রিস আলী বীরপ্রতীক মহোদয়কে।হার্টে রিং পড়ানো হয়েছে, দোয়া করবেন সবাই, আশা করি সুস্থ হয়ে যাবেন ইনশাআল্লাহ। দোয়ারা বাজার থেকে চলে আসছি অনেকদিন। সবাইকে খুবই মনে পড়ে,আজও কিছু স্মৃতি রোমন্থন হলো। জাতির শ্রেষ্ঠ সন্তানরা ভালো থাকুক আরো অনেক দিন, নতুন প্রজন্মকে উদ্ধুদ্ধ করুক দেশ ও দশের কাজে।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *